
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চীনা রাষ্ট্র অনুমোদিত গোষ্ঠীগুলো রাশিয়ার সরকারি সংস্থা এবং কোম্পানিগুলোকে হ্যাক করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছে।বলা হয়েছে, রাশিয়ার ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় আক্রমণের পরপরই ২০২২ সালের মে মাসে সাইবার অভিযান তীব্রতর হয়।
এমনকি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাদের জাতির মধ্যে সহযোগিতার এক অভূতপূর্ব যুগের কথা বলার সময়ও।তাইওয়ানের সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থা টিমটি-৫ এর অনুসন্ধান অনুসারে, ২০২৩ সালে সানিও নামে একটি চীনা গোষ্ঠী পারমাণবিক সাবমেরিন সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি প্রধান রাশিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের প্রতিনিধি হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করেছিল।
চীনের সামরিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতা রাশিয়াকে ছাড়িয়ে গেলেও চীনা সামরিক কৌশলবিদরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাহিনীর প্রকৃত যুদ্ধ অভিজ্ঞতার অভাব লক্ষ্য করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউক্রেন সংঘাত বেজিংকে আধুনিক যুদ্ধ কৌশল এবং পশ্চিমা সামরিক সরঞ্জামের কার্যকারিতা অধ্যয়নের সুযোগ করে দিয়েছে।








