
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নগদকাণ্ডে অভিযুক্ত দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত বর্মা। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট যে তিন বিচারপতির তদন্ত কমিটি গড়েছিল, সেই কমিটির রিপোর্ট অসম্পূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে অনুমানকেই সত্যি ধরে নেওয়া হয়েছে কমিটির রিপোর্টে।
দোলের ছুটিতে চলাকালীন বিচারপতি বর্মার বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনায় সেই সময় তাঁর বাড়িতে বিপুল পরিমাণ নগদ দেখতে পান দমকল কর্মীরা। সেই নিয়ে তদন্ত কমিটি ৪ পাতার রিপোর্ট জমা দিয়েছে। মোট ৫৫ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা বিচারপতি বর্মার সরকারি বাসভবনে গিয়ে তদন্ত করেছেন। তদন্তের ভিত্তিতে তাঁদের দেওয়ার রিপোর্ট বলছে, বিচারপতি বর্মার বাড়ির স্টোররুমে টাকা উদ্ধারের প্রমাণ মিলিছে। ওই স্টোররুমটি শুধু বিচারপতি বর্মার পরিবারের লোকেরাই ব্যবহার করতেন।
বাইরের কেউ বিনা অনুমতিতে সেখানে প্রবেশ করতে পারত না। সুপ্রিম কোর্টের ওই কমিটির রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে। বিচারপতি বর্মাকে ইমপিচ করার সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো যথেষ্ঠ প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। রিপোট হাতে পাওয়ার পরই ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু করেছে কেন্দ্র।







