
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কোনও সুপার কপ নয়, যে যা খুশি তদন্ত করবে, বা কোনও লুটে বেড়ানো অস্ত্র নয় যে ইচ্ছেমতো আক্রমণ চালাতে পারে। ইডিকে এভাবেই তুলোধোনা করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। ২০০৬ সালে ছত্তীশগড়ে একটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প চালানোর জন্য কয়লা ব্লক বরাদ্দ নিয়ে এফআইআর দায়ের করেছিল সিবিআই।
সেই মামলার ভিত্তিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -এর অধীনে ইডি ২০১৪ সালে একটি ইসিআইআর রেজিস্টার করে। ২০১৭ সালে সিবিআই কোনও অনিয়ম না পেয়ে ক্লোজার রিপোর্ট দেয়, যদিও বিশেষ আদালত সেটি গ্রহণ করেনি এবং পরিবেশ ছাড়পত্র সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে আরও তদন্তের নির্দেশ দেয়। এরপর ২০২৩ সালের অগাস্টে সিবিআই একটি অভিযোগপত্র জমা দেয়, যেখানে প্রতারণা ও দুর্নীতির কথা বলা হয়েছিল।
এই অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইডি হানা দেয় এবং ৯০১ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ফ্রিজ করে দেয়। এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে আদালত জানিয়েছে, শুধুমাত্র চার্জশিটের ভিত্তিতে ইডি কোনও অপরাধের ভূতের উপর ভিত্তি করে তদন্ত চালাতে পারে না।








