
আমেদাবাদ এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদেহ অদলবদলের অভিযোগ উঠেছে। ডিএনএ রিপোর্টে ধরা পড়েছে গরমিল।
ব্রিটেনের দুই পরিবারের দাবি, তাঁদের কাছে কফিনবন্দি যে দেহ এসেছিল, তা অন্য কারও।
তাঁদের প্রিয়জনের দেহ এসেই পৌঁছায়নি। ব্রিটেনের নামী আইনজীবী জেমস হিলি জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর মোট ১২ থেকে ১৩টি দেহাবশেষ ব্রিটেনে পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে দুটি পরিবারের হাতে দেওয়া কফিনে ভুলভাবে অন্যের দেহ পাঠানো হয়েছে বলে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই খবর চাউর হওয়ার পরই এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে মৃতদেহ বদল সংক্রান্ত কোনও সরকারি বিবৃতি দেয়নি সংস্থা। ১২ জুন আমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে টেক অফের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেঘানিনগরে জুনিয়র চিকিৎসকদের হস্টেলে ভেঙে পড়ে।
বিমানের কেবল একজন যাত্রী প্রাণে বেঁচেছিলেন। দুর্ঘটনার সময় মাটিতে থাকা বহুজনের মৃত্যু হয়।
