
কোলেস্টেরলকেই বলা হয় সাইলেন্ট কিলার। এর লক্ষণ সহজে বোঝা যায় না। যখন এর প্রভাব শরীরে পড়ে, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। তবে শরীরে বেশ কিছু লক্ষণ দেখে এ রোগ বোঝা যায়।
যেগুলো কোনোভাবেই হালকাভাবে নিলেই ভীষণভাবে চাপে পড়তে হতে পারে ৷ তাই সময় থাকতে এসব লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হবে, থাকতে হবে সতর্কও।চোখের আশপাশে হালকা হলুদ দাগ, ছোট বা বড় দাগ বলে দেবে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের বাড়তে শুরু করেছে।তাই এমন সংকেত থাকলে সবার আগে বুঝে নিতে হবে খারাপ কোলেস্টেরল শরীরে বাসা বাঁধছে।অনেকের আইরিশের চারদিকে সাদা রিং থাকে,তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সেই দাগ স্পষ্ট হতে থাকে।কিন্তু ৪০ বছরের আগেই যদি এসব লক্ষণ দেখা দেয়,সেক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে কোলেস্টেরল বাড়ছে।মুখের ত্বকে হলদেটে ভাব।সারা দিন ক্লান্তিতে পরিপূর্ণ চেহারা। রক্তে কোলেস্টেরলের সমতা নষ্ট হলে তখনই অক্সিজেনের সাপ্লাই কমতে থাকে।এ ছাড়া হাই কোলেস্টেরল হলে ধমনীতে নানা সমস্যা দেখা দেয়।পিঠ ও মুখে রক্ত সংবহন প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। ঠোঁটের রং হালকা নীল বা সাদা হতে পারে। এগুলোই কোলেস্টেরলের সংকেত হতে পারে।
ওদিকে,কোলেস্টেরলের কারণে চোখের শিরা পর্যন্ত প্রভাবিত হতে পারে।চোখে ক্লান্তি, চোখে জ্বালা জ্বালা ভাব, চোখের পাতা ভারী হয়ে আসা,এসব কিছুই কোলেস্টেরলের লক্ষণ।এসব লক্ষণ বা কোনো একটি লক্ষণ চোখে পড়লেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্ত পরীক্ষা করুন আজই।








