
মস্তিষ্ক সম্পর্কিত রোগ ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়াটা এই মুহূর্তে খুব জরুরি।
যেমন বেশিরভাগ মা-বাবা তাদের বাচ্চাদের মস্তিষ্ক তীক্ষ্ণ রাখার জন্য তাদের খাদ্যতালিকায় বাদাম ও আখরোট অন্তর্ভুক্ত করেন। তা সত্ত্বেও শিশুদের দৈনন্দিন কিছু খাদ্যাভ্যাস তাদের মস্তিষ্কের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে তুলছে।বর্তমানে শিশুরা চিপস, নুডলস, পানীয়, কুকিজ ও স্ন্যাকসের মতো অনেক প্যাকেটজাত খাবারের দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়ছে।এ জাতীয় খাবারে উচ্চ চর্বি থাকে এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থাকে। এসব খাবার গ্রহণ শিশুদের আচরণ পরিবর্তন করে এবং স্মৃতিশক্তির ওপরও খারাপ প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি,শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য খুব বেশি পরিশোধিত চিনি খেতে দেবেন না।বাজারে জুস বা পানীয় তৈরিতে কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করা হয়। যা শিশুদের রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং তাদের মেজাজের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া এই ধরনের পানীয় শিশুদের ক্লান্তি, অলসতা ও মনোযোগে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।শিশুরা ক্যান্ডি, জেলিজাতীয় রঙিন খাবার পছন্দ করে।কিন্তু নিয়মিত এসব খাবার খেলে শিশুর মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।এ ধরনের জিনিসপত্রে কৃত্রিম রং থাকে, যা শিশুদের মধ্যে উদ্বেগ, হাইপারঅ্যাকটিভিটি ও এডিএইডি এর মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। শিশুদের ক্যাফেইন থেকে দূরে রাখুন। অল্প বয়সে ক্যাফেইনযুক্ত জিনিস খাওয়া তাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।এগুলো বিশেষ করে জাঙ্ক ফুড, ভাজা খাবার এবং বেকড পণ্যগুলোতে পাওয়া যায়।
নিয়মিত এগুলো খাওয়ার ফলে মস্তিষ্কে ফোলাভাব সৃষ্টিকারী রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যার কারণে মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন পায় না।







