
পরপর তিনদিন মুম্বইয়ে রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানির একাধিক কোম্পানিতে হানা দিয়েছে ইডি আধিকারিকরা। একাধিক অফিস থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও কম্পিউটার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রথম অনিল আম্বানির অফিসে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
তাঁর বিরুদ্ধে ৩ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক লোন প্রতারণা এবং আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ছিল। আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের অধীনেই অম্বানীর একাধিক অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। মুম্বইয়ে ৩৫টিরও বেশি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ইয়েস ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আর্থিক প্রতারণা হয়েছিল। অভিযোগ, বিপুল অঙ্কের এই ঋণ পাওয়ার ঠিক আগেই ব্যাঙ্কের প্রোমোটাররা বিপুল অর্থ পেয়েছিল। ইডির সন্দেহ, ঋণ পাওয়ার জন্যই ঘুষ দিয়েছিলেন অনিল আম্বানি। ইয়েস ব্যাঙ্কের লোন অ্যাপ্রুভালেও নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে।
ওই বিপুল লোন বিভিন্ন শেল কোম্পানিতে পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি সংসদেও কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া অনিল আম্বানির আরকম সংস্থাকে ফ্রড বলে ঘোষণা করেছে। সিবিআইয়ের কাছেও অভিযোগ দায়ের করা হবে। কানাড়া ব্যাঙ্কের সঙ্গেও ১ হাজার ৫০ কোটি টাকার প্রতারণা হয়েছে, এই তদন্তও করা হচ্ছে।
