গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

30 C
Kolkata
30 C
Kolkata
More
    Home Entertainment কলকাতায় রিমান্ডে বাংলাদেশি মডেল শান্তা

    কলকাতায় রিমান্ডে বাংলাদেশি মডেল শান্তা

    0
    177
    ছবি সৌজন্যে : সোশ্যাল মিডিয়া

    ভারতীয় জাল পরিচয়পত্র দেখিয়ে লিভ ইন পার্টনারের সঙ্গে যৌথভাবে কলকাতায় সম্পত্তি কিনেছিলেন বাংলাদেশের মডেল তথা অভিনেত্রী শান্তা পাল।দক্ষিণ কলকাতায় ওই সম্পত্তি কেনা হয় বলে পুলিশের খবর। এমনকী, ভুয়ো নথি দেখিয়ে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের যুবককে ডিজিটাল বিয়ে করেছিলেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন।

    যদিও ডিজিটাল বিয়ে বলে বিয়ের কোনও পদ্ধতি পুলিশের সামনে আসেনি।এর আগে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে কলকাতায় এসে ভুয়ো আধার ও ভোটার কার্ড তৈরি করে ভুয়ো ভারতীয় নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টা করে লালবাজারের গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেপ্তার হন শান্তা পাল।ওই যুবতী একসময় বাংলাদেশের বিমান সংস্থায় চাকরি করলেও তিনি বাংলাদেশের মডেল ছিলেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।বাংলাদেশের একাধিক সৌন্দর্য‌ প্রতিযোগিতায় জিতেছিলেন শান্তা।২০১৬ সালে বাংলাদেশের হয়ে ইন্দো বাংলা বিউটি প্রেজেন্টে যোগ দেন।২০১৯ সালে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে মিস এশিয়া গ্লোবাল হন। শুরু করেছিলেন অভিনয়ও। এর মধ্যেই যোগ দেন বাংলাদেশের বিমান সংস্থায়।গত দু’বছরে তামিল ছবি ও টলিউডের বাংলা ছবিতে শান্তা অভিনয় করেছিলেন। সই করেছিলেন ওড়িয়া ছবিতেও।এরপর কয়েকটি সিরিয়ালেও অভিনয়ের চেষ্টা করছিলেন শান্তা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনভাবে নিজের পরিচয় দিতেন, যাতে তাঁকে বাংলাদেশি বলে আদৌ মনে না হয়। তবে অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা আশরফ নামে মার্চেন্ট নেভির কর্মী এক যুবকের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুত্ব হওয়ার পরই তাঁর জীবনের মোড় ঘোরে বলে শান্তার দাবি।জানা গেছে, শান্তার কাছ থেকে দুটি ভারতীয় আধার কার্ড, একটি ভোটার আইডি, এবং বাংলাদেশি মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া তার কাছ থেকে বাংলাদেশে ইস্যু করা একটি বিমান সংস্থার আইডেন্টিটি কার্ড-ও উদ্ধার হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব ব্যবসা করতে গিয়েই পুলিশের সন্দেহের তালিকায় আসেন শান্তা। তিনি ২০২৩ সাল থেকে কলকাতার যাদবপুরের বিজয়নগরে বাস করছিলেন।সম্প্রতি ঠাকুরপুর থানায় শান্তা নিজেই একটি জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। সেখানে তিনি ভিন্ন এক ঠিকানা ব্যবহার করেন। তদন্তে দেখা যায়, তিনি একাধিক সময় ঠিকানা ও পরিচয় পরিবর্তন করে থাকতেন।

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, শান্তা ভারতীয় পরিচয়পত্র ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এতে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে যে, তার পেছনে একটি বড় চক্র সক্রিয় থাকতে পারে।এছাড়া শান্তার সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সঙ্গীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।