
কোন্নগড়ে তৃণমূল নেতা খুনে বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে কুখ্যাত গ্যাংস্টার বাঘা-কে। এই গ্যাংস্টারের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই পিন্টু চক্রবর্তী খুন হয়েছেন বলে অনুমান পুলিশের। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ফের এলাকায় বাঘার বাড়বাড়ন্তে আতঙ্কিত স্থানীয়রা। জানা গিয়েছে, এলাকার একটি সংস্থার জমি বিক্রি করে দেওয়া নিয়ে পঞ্চায়েতে মতানৈক্য তৈরি হয়েছিল। পঞ্চায়েতের প্রায় সকলেই জমি বিক্রির সপক্ষে থাকলেও এর বিরোধিতা করেন পিন্টু। ডানকুনির একটি জমি নিয়েও তাঁর সঙ্গে বাকি অংশীদারদের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। বাধা হয়ে দাঁড়ানোই কাল হল কোন্নগরের কানাইপুরের নিহত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য পিন্টু চক্রবর্তীর। জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই তৃণমূল নেতাকে খুন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। সেজন্য পথের কাঁটা সরাতে ভাড়াটে খুনি লাগিয়ে তাঁকে খুন করা হয়। কানাইপুরে তৃণমূল নেতার সেই নৃশংস খুনের ঘটনায় শনিবার তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে সেদিনের হাড়হিম করা দৃশ্য। কোন্নগরের কানাইপুরে তৃণমূল নেতার গ্যাস গোডাউনের উলটোদিকের রাস্তায় এসে হাজির হল দু’জন। বাইরে থেকে এমনি একঝলক দেখলে মনে হবে পথচলতি কেউ। এরপর কিছুক্ষণের অপেক্ষা। অফিস থেকে বেরিয়ে তৃণমূল নেতা দাঁড় করানো বাইকে উঠতেই কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই পিছন থেকে আচমকা কাটারি নিয়ে হামলা চালায় দুই দুষ্কৃতী। চলতে থাকে এলোপাথাড়ি কোপ।
বাইক থেকে তৃণমূল নেতা মাটিতে পড়ে গেলেও একের পর এক কোপ মারতে থাকে দুষ্কৃতী। ভরসন্ধ্যায় চোখের সামনে ভয়াবহ এই ঘটনা দেখলেও ভয়ে কাছে আসতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শীরা কেউই। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে খুনের পর হেঁটেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুই দুষ্কৃতী।








