
চাঁদের বুকে প্রথম পা রেখেছিলেন নিল আর্মস্ট্রং।আর মঙ্গলের বুকে ১৩ বছর আগে তার চাকা রেখেছিল নাসার কিউরিওসিটি রোভার।এত বছর পরেও রোভারটি প্রমাণ করে চলেছে, লাল গ্রহের অজানা বিভিন্ন রহস্য জানার এখনও,মাইলস টু গো।
নতুন স্মার্ট আপগ্রেডের কারণে কিউরিওসিটি এখন একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে পারে এবং নিজের শক্তিকে আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।ফলে মঙ্গলের আরও বেশি বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। উল্লেখ্য,২০১২ সালে বড় মিশন নিয়ে মঙ্গলে নেমেছিল কিউরিওসিটি। উদ্দেশ্য ছিল, মঙ্গলের প্রাচীন জলবায়ু সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা ও সেখানে কোনও একসময় প্রাণ থাকার উপযোগী পরিবেশ ছিল কি না, সেটি যাচাই করে দেখা।বর্তমানে মঙ্গলের গেল ক্রেটার-এর পাঁচ কিলোমিটার উঁচু মাউন্ট শার্প নামের পাহাড়ে উঠে গিয়েছে রোভারটি। সেখানে বক্সওয়ার্ক নামের আকর্ষণীয় শিলা গঠনে ভরা এক অঞ্চলে প্রবেশ করেছে ছ’ চাকায় চলা এই ভীনগ্রহের অভিযাত্রী।শক্ত হয়ে যাওয়া এসব শিলা সম্ভবত কয়েকশো কোটি বছর আগে ভূগর্ভস্থ জলের কারণে তৈরি হয়েছিল।
এগুলোতে এমন সূত্র থাকতে পারে, যা বিজ্ঞানীদের জানাতে সাহায্য করবে,গ্রহটি শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর পৃষ্ঠের নীচে প্রাণ টিকে ছিল কি না।এসব বৈজ্ঞানিক কাজের জন্য প্রচুর শক্তি দরকার হয়।কিউরিওসিটির নিজের একটি রোবটিক বাহু, ক্যামেরা, হিটার,রেডিও এবং দশটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র চালানোর জন্য শক্তির প্রয়োজন।
