
পুত্রসন্তান না হওয়ায় বধূকে খুনের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে নারকেলডাঙায়। যদিও বধূর শ্বশুরবাড়ির দাবি পারিবারিক অশান্তির কারণে আত্মহত্যার ঘটনা। ২০১৫-য় নারকেলডাঙার বাসিন্দা রোহিতকুমার সাউয়ের সঙ্গে শ্বেতার বিয়ে হয়।
তাদের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। কিন্তু বিয়ে পর থেকেই দম্পতির ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকত। শ্বেতার বাবার দাবি পরপর দুবার কন্যাসন্তান হওয়ায় নির্যাতন করা হত। বুধবার সকালে শ্বশুরবাড়িতে মেয়ের মারধর করা হচ্ছে বলে খবর পেয়ে বাবা ওমপ্রকাশ প্রসাদ শিয়ালদহ থেকে নারকেলডাঙায় মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান। তাঁর অভিযোগ শ্বশুরবাড়িতে তাঁকে অন্য একটি ঘরে বসিয়ে রাখা হয়। মৃত্যুর আগে বাবাকে শ্বেতা জানায় তাঁকে মারধর করা হচ্ছে এমনকি গলা টিপে মেরে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। কার্যত জোর করে মেয়ে ঘরে ঢুকে দেখেন সব শেষ। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা শ্বেতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
যদিও শ্বেতার স্বামী রোহিতের দাবি টাকার অভাবে মেঘালয়ে ট্যুর ক্যানসেল হওয়ায় স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। এরপর অন্য ঘর থেকে শ্বেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খুন না আত্মহত্যা তদন্ত করে দেখছে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ।
