
জীবনকৃষ্ণ সাহা ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কালীঘাটের কাকু, মানিক ভট্টাচার্যের অন্যতম বড় এজেন্ট। এমনই অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি বলেছেন, বীরভূম-মুর্শিদাবাদ জেলার সমস্ত তালিকা তুলে দেওয়া, টাকা লেনদেন, একটা অংশ রাখা, এই ছিল তাঁর কাজ। তাই কান টানা হয়েছে ঠিক আছে, মাথাও টানতে হবে। ইডিকে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। শুভেন্দুর খোঁচা, শাসক দল যখন বলছে রাজনীতি হচ্ছে, তখন এটাও বলা উচিত যে, কেন তিনি পালাতে গেলেন! উনি যদি বিপ্লবী বা রাজনৈতিক সংগ্রামী হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে ইডিকে ফেস করা উচিত ছিল। কিন্তু কী হয়েছে সবাই দেখেছে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। ২০২৩ সালেও একই ভাবে মোবাইল ছুড়ে দিয়েছিলেন পুকুরে। সেবার অবশ্য ফোনটি পুকুরের জলে পড়েছিল ঠিকই।
কিন্তু, পরে সিবিআই পুকুরের জল শুকিয়ে ফোন উদ্ধার করে। এমনকি ল্যাবরেটরিতে সেই ফোনের তথ্য পুনরুদ্ধার করতেও সফল হয় তারা।





