গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

27 C
Kolkata
27 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle রাতে শিশুর ঘুম না হলে

    রাতে শিশুর ঘুম না হলে

    0
    130
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

    আধুনিক জীবনে শিশুদের জীবনে এসেছে বড় পরিবর্তন। পড়াশোনার চাপ, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ আর মোবাইলের দীর্ঘ ব্যবহার শিশুদের মানসিক ক্লান্তি বাড়িয়ে তুলেছে। এর ফলে রাতে ঘুমের সমস্যা অনেক বাবা-মায়ের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বয়স অনুযায়ী কিছু ছোট্ট অভ্যাস শিশুদের দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে। এদিকে সাধারণত শিশুরা এই বয়সে ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা ঘুমায়। এই সময় তারা নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে শুরু করে। এই বয়সের শিশুদের জন্য আলাদা প্রস্তুতি নেওয়ার দরকার পড়ে না। দিনে একবার হালকা গরম জলের স্নান করানো এতে শিশু আরামবোধ করবে। স্নানের পর আলতো করে তেল মালিশ করলে শরীর শান্ত হয় এবং ঘুম ভালো হয়। রাতের খাবারের পর গান শোনানো বা মজার গল্প শিশুকে শান্ত করতে সাহায্য করে, এটি ঘুম আসার জন্য আরামদায়ক উপায় হতে পারে। অন্যদিকে ৩-৫ বছর বয়সের শিশুরা সাধারণত ১০-১৩ ঘণ্টা ঘুমায়। এই বয়সের শিশুদের জন্য একটি রুটিন করে নেওয়া খুব জরুরি।প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম পাড়ানো ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। ঘুমের আগে ইতিবাচক গল্প শোনাতে হবে।৫-১০ বছর বয়সে শিশুরা স্কুলে যাওয়া শুরু করে এবং পড়াশোনার চাপও বাড়তে থাকে। এই সময়ে শিশুদের অনেক জিজ্ঞাসা থাকে বা তারা অনেক কথা বলতে চায়, দিনের অন্তত আধ ঘণ্টা শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে তাদের মানসিক চাপ কমে যাবে।পাশাপাশি রাতে ঘুমানোর আগে শিশুকে পছন্দের বই পড়ার সুযোগ করে দিতে হবে। এতে একটি ভালো ঘুমের অভ্যাস হয়ে উঠবে। রাতে ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, কম্পিউটার বা টিভি থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে। হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরার অভ্যাস তৈরি করলে দ্রুত ঘুম আসবে। এরপর,১১-১৩ বছর বয়সে শিশুদের ওপর মানসিক চাপ বাড়তে শুরু করে।

    এই বয়সে শিশুদের খেলাধুলা বা ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শরীর সক্রিয় থাকলে রাতে ঘুম ভালো হবে। রাতে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে।সন্ধ্যায় বা রাতে মিষ্টিজাতীয় খাবার তাদের ডায়েটে না রাখাই ভালো। কারণ এতে থাকা চিনি তাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।