
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জাপান থেকে সাত বছর পর প্রথম চিনে পৌঁছে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চিনের তিয়ানজিন বিমানবন্দরে নামার পরই চীনের উচ্চপদস্থ অধিকারীকে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। এরপরই তিয়ানজিনে ভারতীয় কমিউনিটির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলাপচারিতা সেরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
সেখানেই ভারতের সংস্কৃতি-গান-বাজনার মধ্যে দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।দুই দিনের এই সফরে এসসিও সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। ৩১ অগাস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ১০ সদস্যভুক্ত এসসিও ব্লকের বাৎসরিক সম্মেলন রয়েছে। এর পাশাপাশি গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত-চিন সম্পর্কে যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছিল, সেই দূরত্ব কাটিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করার পর, ভারত-চিন সম্পর্ক কোন খাতে এগোচ্ছে সেদিকে নজর রয়েছে গোটা বিশ্বের। গালওয়ানে উভয় দেশের সেনা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার পর কেটে গেছে পাঁচটা বছর।
এরমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমীকরণ পাল্টাচ্ছে। সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক-বৃদ্ধি গোটা বিশ্বে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এই আবহে ভারত সফরে এসে কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক সেরে নিয়েছেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং লি। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে স্বাগত জানিয়েছে চিন।








