
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বেআইনি ভাবে চাকরি পাওয়া দাগিদের তালিকা প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই বিষয়টি সোমবার শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে তারা। সোমবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ এসএসসি-র কাছে জানতে চান, সব দাগি অযোগ্যকে বাদ দেওয়া হয়েছে তো? জবাবে এসএসসি-র আইনজীবী বলেছেন, হ্যাঁ, বাদ দেওয়া হয়েছে।
এসএসসি মামলায় একই বিষয় নিয়ে একাধিক পিটিশন জমা পড়ায় বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন দুই বিচারপতির বেঞ্চ। দুই বিচারপতিরই মন্তব্য, একই বিষয়ে এত মামলা কেন? প্রতি দিন একই বিষয়ে এখানে মামলা আসছে। সব বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরস্তরে ন্যূনতম নম্বর নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশেও হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত। পাশাপাশিই এসএসসির নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলাও খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতিরা। তাঁরা বলেছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসির নীতিগত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয়। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সব বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে। দাগি অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, শিক্ষামিত্রদের ভাতা বন্ধ করে আগাম অবসরের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত খারিজে কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের শিক্ষামিত্ররা ৬০ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগেই এই নিয়ে মামলা উঠেছিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল শিক্ষকদের মতো শিক্ষামিত্রদেরও কাজ করার অধিকার রয়েছে ৬০ বছর পর্যন্ত।
