
অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে কুখ্যাত এপস্টিন ফাইলের একাংশ। যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের বিরুদ্ধে ফেডেরাল তদন্ত সম্পর্কিত নথির একাংশ প্রকাশ করেছে মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্যানেল। যাতে আমেরিকার সকলে সরাসরি এই নথিগুলি দেখতে পারেন, তাই স্বচ্ছতার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৩ হাজার ২৯৫ পাতার ওই ডিজিটাল নথিতে এপস্টিনের যাবতীয় উড়ান সম্পর্কিত তথ্য, জেলের ভিতরের সিসিটিভি ভিডিয়ো, আদালতের কাগজপত্র, অডিয়ো রেকর্ডিং, ইমেল ইত্যাদি রয়েছে। যদিও রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট উভয়েরই দাবি, প্রকাশিত নথিতে নতুন তথ্য বিশেষ নেই।মার্কিন বিচারবিভাগ এপস্টিন সম্পর্কিত অন্যান্য নথি গোপন রেখেছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়। তবে জুলাই মাসে বিচারবিভাগ জানিয়ে দিয়েছে,সে সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ একাধিক তাবড় ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যৌন অপরাধী এপস্টিনের যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও এপস্টিনের গ্রাহকদের নামের কোনও তালিকা পাওয়া যায়নি। ফলে অনলাইনে প্রকাশিত নথিতেও আলাদা করে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।এর আগে এপস্টিন সম্পর্কিত নথিগুলি অনলাইনে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাউস ওভারসাইট কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কমার। তাঁর কথায়, নথিগুলিতে নতুন কিছু নেই,তবে স্বচ্ছতার জন্য এই নথিগুলি আপলোড করা হবে, যাতে আমেরিকার সকলে এই নথিগুলি দেখতে পারে। প্রকাশিত নথিগুলির মধ্যে এপস্টিনের আত্মহননের রাতে নিউ ইয়র্কের জেলে তাঁর সেলের বাইরের সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে।উল্লেখ্য,২০১৯ সালের ৯ অগস্ট সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত মোট ১৩ ঘণ্টা ৪১ সেকেন্ডের ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছে।
ওই সময়ের মধ্যেই এপস্টিন মারা যান।অন্যদিকে,দীর্ঘ দিন ধরে চলা এপস্টিন মামলা নিয়ে আমেরিকার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সরগরম।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ছাড়াও এপস্টিনের ফাইলে বিল ক্লিন্টন থেকে স্টিফেন হকিং,মাইকেল জ্যাকসন থেকে ল্যারি পেজ,সকলের নাম রয়েছে। তবে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত কারও কারও বিরুদ্ধে কোনও গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে আসেনি।






