
কসবা ল’ কলেজে ধর্ষণ করেছিল মনোজিৎ মিশ্রই,ডিএনএ রিপোর্টে এমনটাই মিলেছে প্রমাণ। কসবাকাণ্ডের চার্জশিটে এমনই দাবি করেছে পুলিশ।
পাশাপাশি নির্যাতিতা অসুস্থ জেনেও হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। মাথায় আঘাত থাকলেও নির্যাতিতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। প্রমাণ লোপাট করতে ইনহেলারের বাক্স সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। হকি স্টিক দিয়ে নির্যাতিতাকে মারার চেষ্টা হয়েছিল। ঘটনার একাধিক ভিডিও করা হয়েছিল। পরে কয়েকটি ভিডিও ডিলিট করা হয়েছিল। মনোজিতের লম্বা হাত, তাই এতো প্রভাব, কসবাকাণ্ডের চার্জশিটে দাবি পুলিশের। বস্তুত, ২৫-এ জুন প্রথম বর্ষের পড়ুয়ারা কলেজে গিয়ে পরীক্ষার ফর্ম করছিলেন। সেদিন কলেজে গিয়েছিলেন ওই নির্যাতিতাও। কিন্তু সন্ধ্যা হলেও বাড়ি ফেরেননি তিনি।
পরবর্তীতেই নিজেই থানায় গিয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন ওই নির্যাতিতা ছাত্রী। কলেজের এক অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগ।







