
দুর্যোগহীন ষষ্ঠীর পর সপ্তমীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় ক্ষীণ। ফলে চুটিয়ে ঠাকুর দেখায় বাধা হবে না বৃষ্টি। মঙ্গলবার অষ্টমীর সকালে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়তে হবে ঠাকর দেখতে।
কারণ উত্তর আন্দামান সাগরে ফের তৈরি হবে ঘূর্ণাবর্ত। যার প্রভাব টের পাওয়া যাবে নবমীতে। আর নবমীর রাতে আকাশ ঢাকবে কালো মেঘে। দশমী এবং একাদশীতে নিম্নচাপের বৃষ্টিতে ভাসতে পারে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা। প্রভাব থাকবে একাদশীতেও। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি এই ২ দিন উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পুজোর আগেই ভয়াবহ দুর্যোগ উৎসবের তোড়জোড় করেছিল ম্লান। এক রাতের একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে কলকাতা।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ১০-১২ জনের। বেশ কিছু প্যান্ডেলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে দুযোগ কাটিয়ে পঞ্চমীর রাত থেকেই কার্যত ঢল নেমেছে কলকাতা জুড়ে।








