
স্কুলের পাঠক্রমে সেক্স এডুকেশন আরও কম বয়স থেকেই যোগ করা উচিত। এ কথাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চে একটি ধর্ষণ মামলায় জামিনের আবেদনের শুনানি চলছিল।
অভিযুক্ত নিজেও নাবালক, তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ও ৫০৬ ধারায় মামলা করা হয়েছিল। এছাড়া পকসো আইনেও মামলা রয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। এই মামলার শুনানিতেই শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ রাখে, যৌনতার শিক্ষা বা সেক্স এডুকেশন অল্প বয়স থেকেই দেওয়া উচিত, নবম শ্রেণি থেকে নয়। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর শীর্ষ আদালতের তরফে ওই নাবালক অভিযুক্তকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় উল্লেখ করা হয়েছিল যে অভিযুক্তের বয়স মাত্র ১৫ বছর।
উত্তর প্রদেশ সরকারকে অতিরিক্ত একটি হলফনামা জমা করতে বলা হয়। আদালতকে জানাতে বলা হয়েছিল যে উত্তর প্রদেশ সরকারের অধীনে থাকা উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলির পাঠ্যক্রমে যৌন শিক্ষা কীভাবে, কতটা রয়েছে, যাতে বয়ঃসন্ধিকালে দাঁড়িয়ে থাকা ছাত্র-ছাত্রীরা হরমোনের পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারেন এবং এর প্রভাবে কী কী হতে পারে।








