প্রসূতির মৃত্যু, উত্তেজনা মেদিনীপুর মেডিকেলে 

0
478
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব
ফের চিকিৎসায় গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উত্তেজনা ছড়িয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
সোমবার আইসিইউ, সিসিইউ ওয়ার্ডের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন মৃতার পরিজনেরা। খবর পেয়ে হাসপাতালে যান পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক থেকে দুই সদস্যের প্রতিনিধি। হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। মৃতা বছর ৩২-র শিখা দে দাস। বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার নাহাপার গ্রামে। শিখার স্বামী পবিত্র দাস জানান, নয় মাসের প্রসূতি ছিলেন স্ত্রী। রবিবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। জরুরি বিভাগে দেখানোর পর মাতৃমা বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় শিখাকে। সেখান থেকে আবার মেডিসিন ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ সেখান থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর পর রাতে জেলা পরিষদের গেস্ট হাউসে নিয়ে যান স্ত্রীকে। রাত ৩টে নাগাদ আবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয় স্ত্রীর। আবার জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আবার মাতৃমা বিভাগে পাঠিয়ে দেয়।
এর মধ্যে রোগিণীর শারীরিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকে। ভোর ৫টা নাগাদ আইসিইউ, সিসিইউতে পাঠানো হয় তাঁকে। সোমবার ভোর ৬টা নাগাদ মারা যান শিখা।