
আমেরিকাকে সমতা, সম্মান ও পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বার্তা দিয়েছে চিন। চিনা বিদেশ মন্ত্রক আরও বলেছে, ওয়াশিংটন যদি তাদের নিজেদের নির্ধারিত পথে যেতে বদ্ধপরিকর হয়, তবে নিজের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় পাল্টা পদক্ষেপ করতে বাধা হবে বেজিংও।
উল্লেখ্য, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১০ অক্টোবর চিনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ১০০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের জেরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের দ্বিতীয় সংস্করণ শুরু হওয়ার আশঙ্কা দেখা গিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরকারের এই পদক্ষেপটি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। বর্তমানে চিনা পণ্যের ওপর যে শুল্ক ধার্য করা আছে, তার ওপরে এই ১০০ শতাংশ শুব্ন্ধ চাপতে চলেছে। অর্থাৎ, চিনের বিরুদ্ধে আমেরিকার শুদ্ধের হার এখন ১৪০ শতাংশে পেঁৗঁছাতে পারে।
জানা গিয়েছে, বিবল খনিজ রফতানির ওপর চিন নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে চাইছিল। এর জেরেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিনের বিরুদ্ধে।








