
এখন বলা হয় দিনকে দিন কমবয়েসিদের মধ্যে মোবাইল আসক্ত বাড়ছে। অনলাইন গেম থেকে শুরু করে এফবি, ইনস্টা সবেতেই আসক্ত ছেলেমেয়েরা।
মোবাইল ছেড়ে এক মুহূর্ত কাটালেই যেন দিশেহারা মতো অবস্থা দাঁড়ায়। এই আসক্তিই কিন্তু পরোক্ষে ডেকে আনছে নানা রকম বিপদ। আর এই অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি ঘটাতে পারে মেরুদণ্ডের বিরল রোগ কাইফোস্কোলিওসিস।সংক্ষেপে, কাইফোসিস। এই রোগে মেরুদণ্ডের পিছনের, সামনের বা পাশের দিক বেঁকে যেতে পারে। এই রোগটি কমবয়েসি ছেলেমেয়েদের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘক্ষণ শরীর ঝুঁকিয়ে বসে থাকা বা দাঁড়িয়ে থাকা এই রোগের প্রাথমিক একটি কারণ।যারা সারাদিন শুয়ে বসে রয়েছেন কিংবা কোনও রকম শারীরিক কসরৎ ছাড়াই গোটা দিনটা কাটিয়ে দেন তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি রয়েছে।এখনকার ছেলেমেয়েরা মোবাইল হাতে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে ফেলে। এমনকী অনেকে শুয়ে বসে কোলের উপর ল্যাপটপ নিয়ে ঝুঁকে গেম খেলেন দীর্ঘক্ষণ ধরে।এক্ষেত্রে দিনের পর দিন এমন চলতে থাকলে ধীরে ধীরে মেরুদণ্ডের নমনীয়তা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে, ঝুঁকি বাড়ে কাইফোসিসের।এদিকে,মোবাইলে আসক্ত ছেলেমেয়েরা শুধু যে মানসিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তা নয়। তরুণদের মধ্যে নানারকম শারীরিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। চোখের সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস কিছুই বাদ থাকছে না। কয়েক মাস আগেই দিল্লিতে এমনই এক ঘটনার হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। মাত্র উনিশ বছরের এক ছেলে একই সঙ্গে মেরুদণ্ডের যক্ষ্মা ও কাইফোসিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা স্পাইনাল সার্জারির উপরই শেষ পর্যন্ত ভরসা রেখেছিলেন। কাজেই, প্রতিদিন কিছুক্ষণের জন্য হলেও ওয়ার্ক আউট একান্ত প্রয়োজন।
একই সঙ্গে জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য সঠিক খাদ্য ও বিশ্রামের দরকার। সারাদিন ফোন না ঘেঁটে স্ক্রিন টাইম কমিয়ে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় বেছে নেওয়াটাই বাঞ্ছনীয়।








