
গাইড সেজে অভিযুক্তদেরই লুঠতে চেয়েছিলেন মৃত রাহুল লাল। পার্কস্ট্রিটে হোটেলে বক্সখাটে দেহ উদ্ধারের ঘটনায এমনই দাবি করেছেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ক্রাইম রূপেশ কুমার।
তিনি দাবি করেছেন রাহুল লাল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে তখন ২ অভিযুক্ত শক্তিকান্ত বেহরা এবং সন্তোষ বেহরা চাদর গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। এরপর বক্সখাটে দেহ ঢুকিয়ে ঘর পরিষ্কার করে ট্রেন ধরে ওড়িশায় পালিয়ে যায়। ২২ তারিখ খউনের ঘটনাটি ঘটে পার্কস্ট্রিটের আল বুর্জ ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে। পরের দিন হোটেলর বক্সখাট থেকে উদ্ধার হয় পিকনিক গার্ডেনের বাসিন্দা ২৫ বছরের রাহুল লালের দেহ। ঘটনার ৭ দিন পর বুধবার ওড়িশার কটক থেকে গ্রেফতার করা হয় শক্তিকান্ত, সন্তোষ বেহরাকে। তাদের দাবি রাহুলের উদ্দেশ্য ছিল গাইড পরিচয় দিয়ে হোটেলে এনে লুঠপাট করা। ছুরি বের করে ভয় দেখাতেই বাঁচার তাগিতে পাল্টা আক্রমণ করেছিল ২ যুবক। লালবাজারের গোয়েন্দাদের দাবি গাইড পরিচয় দিয়ে শক্তিকান্ত এবং সন্তোষের সঙ্গে পরিচয় জমিয়েছিলেন রাহুল লাল।
থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে ২ জনকে হোটেলে নিয়ে যান। বাইরে থেকে খাবার, মদ নিয়ে আসে। মদ খাওয়ার সময়ই ছুরি বের করে লুঠপাটের চেষ্টা করেন রাহুল।





