
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খেলাটা শুরু করেছিলেন। এবার সেই খেলার ময়দানে নেমে পড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। স্নায়ুযুদ্ধের মতো এ যেন এক অঘোষিত যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। শক্তি প্রদর্শনের লড়াই পৌঁছে গেছে পারমাণবি অস্ত্র পর্যন্ত।
ডুমসডে বা মহাপ্রলয় দিবস আনতে সক্ষম এমন সীমাহীন পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর ঘোষণা কয়েকদিন আগেই দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। সেখানেই শেষ নয়, এবার এক সুপার টর্পেডোর পরীক্ষা চালানোর ঘোষণাও করেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। এই টর্পেডোও পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই একে আটকাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়াও একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে। নিজেদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক শক্তিশালী দেশ হিসেবে প্রমাণ করতে কোনো কসুর করছেন না কিম জং উন।ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও আর বসে থাকতে চাইছেন না। তিনিও তার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে মাঠে নেমে পড়েছেন। দিয়েছেন এক নজিরবিহীন নির্দেশ। বলেছেন, তার হাতে আর কোনো বিকল্প নেই। প্রতিপক্ষরাই তাকে বাধ্য করছে মহা ঝুঁকিপূর্ণ এই খেলার ময়দানে নামতে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, পরমাণু যুদ্ধের দিকেই কি আগাচ্ছে বিশ্ব? এদিকে চীন এবং রাশিয়ার সঙ্গে পাল্লা দিতে আমেরিকাকে অবিলম্বে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৯৯২ সালের পর এই প্রথমবার আমেরিকা ফের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার পথে হাঁটতে চলেছে।দক্ষিণ কোরিয়ায় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠকের ঠিক আগে,নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।








