
অবশেষে তৃতীয় বারের চেষ্টায় শাপমুক্তি ভারতের। ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়েছে ভারত।
প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান কছে। জবাবে ৪৫.৩ ওভারে ২৪৬ রানে অল আউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাটে-বলে নজর কেড়েছেন শেফালি বর্মা ও দীপ্তি শর্মা। এই দুই ক্রিকেটারের দাপটে ট্রফি তুলেছেন হরমনপ্রীতেরা। প্রতিকা রাওয়াল চোটে ছিটকে যাওয়ায় সেমিফাইনালের আগে দলে নেওয়া হয়েছিল শেফালি বর্মাকে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রান না পেলেও ফাইনালে নিজের জাত চেনালেন শেফালি। প্রথম বল থেকে বড় শট খেলা শুরু করলেন তিনি। শেফালি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করায় স্মৃতি মন্ধানা সময় পান। দু’জনে মিলে ভাল শুরু দেন দলকে। শতরানের জুটি করেন ভারতের দুই ওপেনার। ওভার প্রতি ৬ রান করে হচ্ছিল। শেফালি ৪৯ বলে অর্ধশতরান করেন। ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান করে ভারত। ভারতকে খেলায় ফেরাল ফিল্ডিং। এ বারের বিশ্বকাপে এর আগে পর্যন্ত ভারতের ফিল্ডিংয়ের সমালোচনা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালেও ক্যাচ পড়েছে। ফাইনালেও ক্যাচ পড়ল। কিন্তু ভারতের গ্রাউন্ড ফিল্ডিং এই ম্যাচে দুর্দান্ত ছিল। প্রতিটি রান বাঁচানোর জন্য নিজেদের ১০০ শতাংশ দিয়েছেন হরমনপ্রীতেরা।
ডাইভ দিতে ভয় পেলেন না কেউ। সেই ফিল্ডিংই দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনিং জুটি ভাঙল। সরাসরি থ্রোয়ে ২৩ রানের মাথায় ব্রিটসকে রান আউট করলেন আমনজ্যোৎ কৌর। রান পাননি আনেকে বশ। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক উলভাট শতরান করে আউট হতেই ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষে অধিনায়ক হরমনপ্রীতের দর্দান্ত ক্যাচ ভারতকে এনে দিয়েছে বিশ্বসেরার ট্রফি।








