গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

26 C
Kolkata
26 C
Kolkata
More
    Home Entertainment বাংলা বলতে পারেন মামদানি!

    বাংলা বলতে পারেন মামদানি!

    0
    111
    ছবি সৌজন্যে : এক্স

    নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচনের জন্য ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারিতে দলের মনোনয়ন জিতে নিয়ে যে জোহরান মামদানি মার্কিন রাজনীতিতে হইচই ফেলে দিয়েছেন, সেই ৩৩ বছরের যুবক ভোটের প্রচারের সময় বিভিন্ন ভাষার সঙ্গে বাংলাতেও একটি ক্যাম্পেইন ভিডিও তৈরি করেছেন।

    সেই ভিডিওতে লিটল বাংলাদেশ কেনসিংটনের বাঙালি কাউন্সিল মেম্বার শাহানা আরিফকে সঙ্গে নিয়ে তাকে ভাঙা ভাঙা বাংলায় র‍্যাংক চয়েস ভোটিং পদ্ধতিটা সাধারণ ভোটারদের কাছে বাঙালি মিষ্টির প্লেট নিয়ে ব্যাখ্যা করতেও শোনা গেছে।ভিডিওর শেষ দিকে এসে হাসতে হাসতে মামদানি বেশ ঝরঝরে ভঙ্গিতেই জিজ্ঞেস করেন, আমার বাংলা ভালোই, না? এই চমকজাগানো ক্যাম্পেইন যে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ভোটারদের আকৃষ্ট করতেই তাতে কোনো সন্দেহ নেই এবং ভারতীয় অরিজিনের মামদানি যে হিন্দি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও মোটামুটি কথাবার্তা বলতে পারেন, এটা অনেককেই অবাক করেছে।জয়ের পর মামদানি ব্রুকলিনে তার বিজয় সমাবেশে সমর্থকদের উদ্দেশে বলেছেন, বন্ধুরা, আমরা আজ একটি রাজনৈতিক রাজবংশকে পরাজিত করেছি। আমি অ্যান্ড্রু কুয়োমোর ব্যক্তিগত জীবনের জন্য শুভকামনা জানাই। তবে আজ রাত হোক সেই শেষ রাত, যখন আমি তার নাম উচ্চারণ করছি, কারণ আমরা এখন এমন এক রাজনীতির অধ্যায় শুরু করছি যা অল্প কয়েকজনের নয়, সবার জন্য।তার এই ভাষণ শেষ হতেই ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজতে শুরু করে বলিউডের জনপ্রিয় গান,ধুম মাচালে।একইসঙ্গে,নিউ ইয়র্কে জ্যাকসন হাইটস-সহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় প্রচারের সময় তাকে বাঙালি ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গেও টুকরো টাকরা বাংলায় কথা বলতেও দেখা গেছে।ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে হেভিওয়েট প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুয়োমোকে হারিয়ে নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর মামদানি যে অ্যাকসেপ্টেন্স স্পিচ দিয়েছেন,তাতেও কিন্তু এই সাফল্যে,বাংলাদেশি আন্টি’দের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে ভোলেননি।অনেকেই হয়তো ভাবছেন,জোহরান কে মামদানির এই বাংলা-প্রীতি কি শুধু ভোটের জন্যই ,না কি এর পেছনে অন্য কারণও আছে?এক কথায় এর সহজ উত্তর হল, মামদানির বাংলা কানেকশনের পেছনে সবচেয়ে বড় ক্যাটালিস্ট হলেন তার মা,আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রপরিচালক মীরা নায়ার।মীরা নায়ারের জন্ম ভারতের ওড়িশাতে বাঙালি অধ্যুষিত শহর রাউরকেল্লাতে, আর তিনি বড় হয়েছেন ওই রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বরে, সেখানেও জনসংখ্যার একটা বড় অংশ বাঙালি।মীরা নায়ারের ঝলমলে ফিল্মোগ্রাফিতে খুব উজ্জ্বল একটা নাম হল নেমসেক,যেটা তিনি তৈরি করেছিলেন বাঙালি পরিবারের আমেরিকান লেখিকা, পুলিতজার-জয়ী ঝুম্পা লাহিড়ির লেখা উপন্যাস অবলম্বনে।

    সেই সিনেমাটাও ছিল আবার আমেরিকায় পাড়ি দেওয়া এক প্রথম প্রজন্মের অভিবাসী বাঙালি দম্পতিকে নিয়েই।