
প্রাচীন পারস্য জয়ের স্মৃতিস্তম্ভ উন্মোচন অনুষ্ঠানকে ঘিরে তেহরানের কেন্দ্রে মানুষের ঢল নেমেছে। ৭ নভেম্বর এই স্মারক উন্মোচনকে সম্প্রতি ইসরায়েল-ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধের পর সমসাময়িক শত্রুদের প্রতি শক্তি ও প্রতিরোধ প্রদর্শনের বার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
হাজার হাজার মানুষ এনঘেলাব স্কোয়ারে জমায়েত হন। স্মৃতিস্তম্ভে দেখা যাচ্ছে সাসানিয়ান রাজা শাপুর প্রথমকে।তিনি ঘোড়ার ওপর বসে আছেন, আর তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে আছেন পরাজিত রোমান সম্রাট ভ্যালেরিয়ান। শাপুর তাকে তৃতীয় শতকে বন্দি করেছিলেন।শাপুরের পিঠের উপরের দিকে আরও দু’টি ভাস্কর্য রাখা হয়েছে। একটি প্রাচীন পারস্য যোদ্ধা ও একটি আধুনিক ইরানি সৈন্যের। উভয়েই একই বর্শা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের ঢালে খোদাই করা স্লোগান ছিল,তুমি আবার ইরানের সামনে হাঁটু গেড়ে বসবে। বলা হয়েছে ইতিহাসে এমন ঘটনা বহুবার ঘটেছে। ভবিষ্যতেও যারা ইরানে হামলা চালাবে, তাদেরকে একই ভাগ্য বরণ করতে হবে।নতুন এই স্মারক ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়েছে দক্ষিণ ইরানের একটি প্রাচীন পাথরের খোদাইয়ের অনুকরণে।সেটি মূল বিজয়ের পরপরই খোদাই করা হয়েছিল।শাপুরের মূর্তির পাশে আয়োজকরা নিহত সামরিক কর্মকর্তাদের ছবির ব্যানারও টানিয়েছিল।
যার মধ্যে ছিল ২০২০ সালে বাগদাদে মার্কিন হামলায় নিহত রেভল্যুশনারি গার্ডস কমান্ডার কাসেম সোলেমানি ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত গার্ডসের অ্যারোস্পেস প্রধান আমিরালি হাজিজাদেহর ছবি।







