ফাশারের কসাই আবু লুলু

0
188
ছবি সৌজন্যে : এক্স

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সুদানের এল-ফাশার শহরে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স,আরএসএফ সন্ত্রাসীদের নৃশংস অপরাধের খবরাখবরের মধ্যে আবু লুলু নামে এক সন্ত্রাসীর নাম এখন সবার মুখে মুখে।তিনি গর্বের সঙ্গে অসামরিক নাগরিকদের হত্যার ছবি প্রকাশ করেন এবং ফাশারের কসাই নামে পরিচিতি লাভ করেন।

গত কয়েকদিন ধরে সুদানের ঘটনাবলীর খবর মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে, বিশেষ করে সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলোতে। সেখানকার যেসব ছবি এবং ভিডিও প্রচারিত হচ্ছে তা আরএসএফ মিলিশিয়াদের হাতে হাজার হাজার অসামরিক নাগরিকের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয়।গত সপ্তার শুরুতে সন্ত্রাসীরা ঘোষণা করেছিল যে, তারা ৫০০ দিনের অবরোধের পর উত্তর দারফুর রাজ্যের এল-ফাশির শহর সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এরপর এই সন্ত্রাসীদের হাতে অসহায় মানুষ, বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের ওপর সংঘটিত নৃশংস অপরাধের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক পরিসংখ্যানে দেখানো হয়, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে দু হাজার জনেরও বেশি মানুষকে ভয়াবহভাবে হত্যা করা হয়েছে। সুদানে আমিরাতি সন্ত্রাসীদের নৃশংস অপরাধের সঙ্গে গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদীদের অপরাধের একটা মিল রয়েছে। আর সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সুদানের ঘটনাবলীর সঙ্গে সম্পর্কিত সংবাদের শীর্ষে যে নামটি উঠে এসেছে, সেই নামটি হলো,আবু লুলু। যাকে ফাশারের কসাই উপাধি দেওয়া হয়েছে।আসল নাম ফাতিহ আবদুল্লাহ ইদ্রিস হলেও আবু লুলু নামেই সমধিক পরিচিত। ফাশার শহর নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগে তেমন একটা পরিচিত ছিলেন না লুলু।

কিন্তু শহরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড শুরু হওয়ার পর তার নাম ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে এবং সুদানে বর্বরতা ও সন্ত্রাসের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। যদিও আরএসএফ আবু লুলুর সঙ্গে তাদের কোনোরকম সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছে।