
জঙ্গলরাজ- এটাই ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বিরোধী জোটে ধস ডেকে আনা জয়ের মূল মন্ত্র। আর সেই নীমো বা নীতীশ-মোদী ম্যাজিকেই ভোকাট্টা হয়ে গিয়েছে মহাজোটের ঘুড়ি।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত ১দশমিক ৩ কোটি মহিলার জন্য ১০ হাজার টাকার প্রকল্প। যার ফলে স্বাধীনতার পর থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ মহিলা ভোটার এগিয়ে এসেছেন ভোটদানে।বিহারে প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছিলেন, কাট্টা, দুনলি, রংদারির কথা। অর্থাৎ আরজেডির আমলের বিহারের জঙ্গলরাজের প্রসঙ্গ। বিহারে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই কথা সাধারণের মানুষের প্রভাব ফেলেছিল। নীতীশ কুমার ও নরেন্দ্র মোদীর এই যৌথ বার্তায় আমজনতা ভরসা করেছে এনডিএ-র উপর। বিশেষত মহিলা ভোটাররা ১০ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেতেই তাঁদের বিশ্বাস জন্মেছে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উপর। সেখানে তেজস্বী যাদবের মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ধোপে টেকেনি। এছাড়াও ১২৫ ইউনিট পর্যন্ত গৃহস্থ বাড়িতে বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ দেওয়ার ঘোষণাও সাধারণ মানুষের দরজায় সমর্থনের কড়া নেড়েছে।
বিশেষ করে এতে গ্রামীণ এলাকার মানুষের আদতে বিদ্যুৎ বিল বলে প্রায় কিছুই দিতে হবে না। এসব কারণে নীতীশ কুমার বার্ধক্যের কারণে অকর্মণ্য হয়ে গিয়েছেন, এই যুক্তি উড়ে গিয়েছে ফুৎকারে।
