
এসআইআর-র জন্য আর কত মানুষের প্রাণ দিতে হবে। কৃষ্ণনগরে বিএলও রিঙ্কুর তরফদারের মৃত্যুতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন আর কত মৃত্যু দেখতে হবে। এটি এখন সত্যিই উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। এদিকে কোন্নগরে অসুস্থ বিএলও-র পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর-র কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন কোন্নগরের বিএলও তপতী বিশ্বাস। বিএলও-র কাজ থেকে অব্যাহতি পেলেও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। এরইমধ্যে ফোনে তপতী বিশ্বাসের পরিবারের সঙ্গে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এসআইআর-র জন্য মৃত্যুর দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। নির্বাচন কমিশনে বৈঠকের পর সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস, পার্থ ভৌমিকরা বলেছেন এসআইআর চালু হওয়ার পর শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির জন্য ৩৪ জন আত্মহত্যা করেছেন।
ভুলে ভরা ওয়েবসাইট দেখে মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। এজন্য অনেকেই আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন। এই দায় নির্বাচন কমিশনের। এই গাফিলতির বলি হয়েছেন ৩ জন বিএলও। শনিবারও নদিয়ার কৃষ্ণনগরে এক মহিলা বিএলও আত্মঘাতী হয়েছেন। তিনি সুইসাইড নোটে লিখে গিয়েছেন তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন।








