
বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, কীর্তনের পরেই ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতার বাণী ধ্বনিত হয়েছে ব্রিগেডজুড়ে। সকাল ৯টা থেকে কর্মসূচি শুরু হলেও দুপুর বারোটার কিছু পরে মূল গীতাপাঠ পর্বের শুভারম্ভ হয়।
রথে করে নিয়ে আসা হয় গীতা। রবিবার ভোর থেকেই সাধুসন্ত থেকে সাধারণ মানুষজন কার্যত ব্রিগেডমুখী। বেলা বাড়তেই সনাতনীদের ভিড়ে কার্যত জনসমুদ্র। ব্রিগেডে গীতাপাঠের আয়োজন করেন সনাতন সংস্কৃতি পর্ষদ। বেদ পাঠের পর চলে গীতা আরতি। ঢাক, খোল, করতাল, উলু শাঁখের আওয়াজে মুখরিত হয়ে ওঠে ব্রিগেড। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জ্ঞানানন্দজি মহারাজ। উপস্থিত রয়েছেন স্বামী জ্ঞানানন্দ, স্বামী ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী এবং সাধ্বী ঋতম্ভরা। রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরাও যোগ দিয়েছিলেন। কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন মতুয়াদের একাংশ। গীতপাঠের অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এলেও আমন্ত্রণ জানানো হলেও আসেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে ছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী। যোগ দিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে।
তবে শুভেন্দু অধিকারী নির্দিষ্ট আসন ছেড়ে পিছনের দিকে মাটিতে বসে গীতাপাঠ করেছেন। নেপাল, বাংলাদেশ থেকেও প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে।
suvendu-adhikari-sat-on-the-ground-behind-the-brigade-to-listen-to-the-gita-rather-than-in-the-designated-seat-at-the-front








