
যুবভারতীকাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে দেওয়া তদন্ত কামিটি তাঁরই ডিপার্টমেন্ট পুলিশ দফতরের সর্বোচ্চ অফিসার রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকেই শোকজ করেছে। মুখ্যসচিবের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে শনিবার মেসির অনুষ্ঠানে কেন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, কেন ওই দিন অব্যবস্থা হয়েছিল, বেসরকারি আয়োজক সংস্থা সহ স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কেন সমন্বয় সাধন হয়নি।
শনিবার দেড় ঘন্টা মাঠে থাকার কথা থাকলেও মেসিকে মাত্র ১৭ মিনিটেই কেন সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তার সবকিছুরই রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুকেশ কুমারকেও। তাঁকেও একদিনের মধ্যেই রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। বিধাননগরের ডিসিপি অনীশ সরকারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে অনীশ সরকারকে। এই অনীশ সরকার মেসি ইভেন্টের আগের দিন সাংবাদিক বৈঠক করে যুবভারতীতে জলের বোতল নিয়ে ঢোকা যাবে না বলে। কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু কার্যত এই জলের বোতলই যুবভারতীতে প্রতিবাদের অস্ত্র হয়েছিল দর্শকদের। ক্রীড়া দফতরের প্রধান সচিব রাজেশ কুমার সিনহাকেও শোকজ করা হয়েছে। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে যুবভারতীর দায়িত্বে থাকা অবসরপ্রাপ্ত আমলা দেবকুমার নন্দনকে। একইসঙ্গে শনিবার মেসি ইভেন্টে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তদন্তে ৪ আইপিএসের নেতৃত্বে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। সিট-এ আইপিএস পীযূষ পাণ্ডে, জাভেদ শামিম, সুপ্রতিম সরকার, মুরলিধর রয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম রায় জানিয়েছেন কমিটি গঠন করার পর তিনি নিজে যুবভারতীতে গিয়েছিলেন। সেখানে চারদিকে জলের বোতল, ভাঙা চেয়ার ছড়ানো ছিটানো ছিল।
এও জানতে পেরেছেন, আগের দিন পুলিশের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের বৈঠকও হয়। কিন্তু এরপরও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, একাধিক গলদ ধরা পড়েছে।






