
বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়ে দেরাদুনে ত্রিপুরার পড়ুয়া অ্যাঞ্জেল চাকমার মৃত্যুর ঘটনায় দেরাদুনের ম্যাজিস্ট্রেট ও এসএসপিকে নোটিশ পাঠিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন দেরাদুন প্রশাসনকে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। পাশাপাশি একটি অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টও জমা দিতে বলেছে। এক পুলিশ আধিকারিক বলেছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। ৬ জনের মধ্যে পাঁচজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে, এক জন এখনও পলাতক। গোটা ঘটনায় যুবকের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি যুবকের বাবার সাথে ফোনে কথা বলে তাকে আশস্ত করেছেন।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে যুবকের পরিবারকে এককালীন ৫ লাখ টাকা অর্থসাহায্য ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য, ত্রিপুরার বাসিন্দা বছর চব্বিশের অ্যাঞ্জেল চাকমা দেরাদুনের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ছিলেন। গত ৯ ডিসেম্বর তিনি ও তাঁর দাদা বাজারে যাওয়ার সময় একদল যুবক তাদের বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করতে থাকে। প্রতিবাদ করায় বচসায় জড়িয়ে পরে মৃত্যু হয় ওই যুবকের।
