
সারা বিশ্বের মানুষ এখন স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন,শুধু তাই নয়, ওয়েলনেস ইনফ্লুয়েন্সরদের ভিডিও দেখে হারবাল ডিটক্স টি খাওয়ার প্রবণতাও বেড়েছে।
অনেকের ধারণা, হারবাল চা বা ডিটক্স ওয়াটার খেলেই শরীরে জমে থাকা টক্সিন বের হয়ে যাবে। কিন্তু লিভার এমন একটি অঙ্গ, যা নিজেই টক্সিন দূর করে দিতে পারে। আর এটিই লিভারের কাজ।তার জন্য আলাদা করে ডিটক্স পানীয় খাওয়ার দরকার পড়ে না। কিন্তু ঘন ঘন হারবাল চা বা ডিটক্স ওয়াটার খেলে সমস্যা পড়তে পারেন। লিভারের বারোটা বাজতে পারে।গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টরা বলছেন, হারবাল ডিটক্স টি লিভার থেকে টক্সিন বের করার পরিবর্তে এর ক্ষতি করতে পারে।ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইসিস বা সিরোসিসের মতো সমস্যায় হারবাল চা খেলে সমস্যা বাড়তে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে লিভার ফেলিউরও হতে পারে। সুতরাং, লিভারের সমস্যা থাকলে খাওয়া চলবে না হারবাল টি। বলা হচ্ছে,ভেষজ চায়ে পাইরোলিজিডিন অ্যালকালয়েড নামের যৌগ পাওয়া যায়।ক্ষতিগ্রস্ত লিভার যদি এই যৌগের সংস্পর্শে আসে, তখন লিভারের কোষের আরো ক্ষতি হয়। তখন লিভার এই টক্সিনগুলো বের করতে পারে না। আর এতেই বাড়ে সমস্যা।তা ছাড়া গ্রিন টিতে থাকা ইজিসিজি নামের যৌগের পরিমাণ শরীরে যদি ৮০০ মিলিগ্রামের বেশি ঢোকে, তখনও জন্ডিসের মতো সমস্যা দেখা দেয়। আবার কিছু ভেষজ চা রয়েছে, যেগুলো মূত্রবর্ধক। সেক্ষেত্রে ওই ধরনের চা খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে,অনেকেই লিভারের সমস্যা দূর করতে ভেষজ চা বেছে নেন। কিন্তু গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টরা বলছেন, এমন কোনো প্রমাণ নেই যে হারবাল চা সিরোসিসের মতো লিভারের সমস্যা ঠিক করতে পারে।
বরং ভুল চা বা বেশি মাত্রায় চা খেলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু সব ধরনের হারবাল চা খেলেই যে এমন সমস্যা হবে, এমনটা নয়।








