হাসিনার ২.৫ কোটির খাবারের বিল বাকি

0
69
ছবি  সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন তথা সরকারি কার্যালয় গণভবনের খাবারের বিল বাবদ এখনও আড়াই কোটি বাংলাদেশের টাকা বাকি রয়েছে।

সেই বিল গণভবনের কেউ মেটাননি। মেটাতে চাইছে না মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও। জানা যাচ্ছে,হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন গণভবনে খাবার সরবরাহ করত হোটেল অবকাশ। এই হোটেল বাংলাদেশের পর্যটন কর্পোরেশনের অধীনে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এমনকি, বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস যেখানে থাকেন, সেই যমুনাতেও এই হোটেল থেকেই খাবার যায়। অভিযোগ, যমুনার খাবারের বিলও বাকি আছে।তবে তার পরিমাণ কম। হাসিনার বাসভবনের বকেয়া বাবদ হোটেল অবকাশের এখনও পাওনা ২ কোটি ৫৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ইউনূসের বাসভবনে বকেয়া রয়েছে ৩৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা। টাকা চেয়ে একাধিক বার হোটেল কর্তৃপক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারকে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগ আগের সরকারের খাবারের বকেয়া বিল মেটাতে চাননি ইউনূস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পর্যটন কর্পোরেশনের এক কর্তা জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিগত সরকারের এই দায় নিতে চায় না।হাসিনার বাসভবনে খাবার সরবরাহের জন্য হোটেল অবকাশের সঙ্গে গণভবন কর্তৃপক্ষের একটি চুক্তি ছিল। নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিল পাঠিয়ে দেওযা হত। কখনও তা পরিশোধ করা হত, কখনও টাকা বকেয়া থেকে যেত। কিন্তু হাসিনা দেশ ছাড়ার পর হোটেল কর্তৃপক্ষ ফাঁপরে পড়েছেন। সূত্রের খবর, শুধু খাবার সরবরাহ করা নয়, হাসিনার বাসভবনের রান্নাবান্না এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাকাটার ভারও ছিল হোটেল অবকাশের। তাই বকেয়ার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

হাসিনার গণভবনে এই হোটেল থেকে ১৭৩ রকমের খাবার সরবরাহ করা হত বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। বকেয়া না মেটানোয় হোটেল কর্তৃপক্ষ আর্থিক সঙ্কটে ভুগছেন। কর্মীদের বেতন দেওয়া এবং নতুন করে জিনিস সরবরাহ করার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। এমনকি, ইউনূসের বাসভবনে খাবার সরবরাহ করতে গিয়েও সমস্যা হচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তাঁরা। কিন্তু খুব শীঘ্র এই সমস্যার কোনও সমাধান দেখা যাচ্ছে না।