
ডিএম, এসপিদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই ভর্ৎসনা জ্ঞানেশ কুমারের। ভোটের সময় অন্য রাজ্যে এত হিংসা হয় না, বাংলায় কেন। প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সব রাজনৈতিক দল একই অভিযোগ করেছে। জেলাশাসক হোন বা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে কাউকে রেয়াত করা হবে না কড়া বার্তা দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচনের পরেও দোষী সাব্যস্ত হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। কমিশন যে কাজ আশা করেছিল, গাফিলতির জন্য যথাযথ হয়নি।
দায়িত্বশীল অফিসার হয়েও নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনকে মান্যতা না দিয়ে কীভাবে কাজ করছেন। প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। একইসঙ্গে ৭ জেলার ডিইওরাও কমিশনের ফুল বেঞ্চের ভর্ৎসনার মুখে পড়েছে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমানের ডিইওদের ভর্ৎসনা করে নির্বাচন কমিশন কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন কারও গাফিলতির বদনামের ভাগীদার হবে না। কমিশন বলেচেন ইচ্ছাকৃত গরমিল বা গাফিলতির প্রমাণ হলে এমন জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে যে ফেরার সুযোগ থাকবে না। একইসঙ্গে আরবিআই, এয়ারপোর্ট অথরিটি, আবগারি, নাকোটিক্সের অফিসাররাও তোপের মুখে পড়েছেন।
ওই সময় প্রাক্তন এডিজি আইনশৃঙ্খলা বিনীত গোয়েল সাফাই দিতে গেলে তাঁকে ধমক দিয়ে বসিয়ে দেন জ্ঞানেশ কুমার। এসআইআর-র কাজ সব সম্পন্ন না হলে নির্বাচন হবে না। জানিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি নো এসআইআর, নো ভোট। বিজেপির দেওয়া ফ্রম সেভেন যা জমা পড়েছে, পুলিশ যা বাজেয়াপ্ত করেছে প্রত্যেকটা খুঁটিয়ে দেখতে হবে।
