
মেনুতে কাটছাঁট, মন্দিরের ভোগে শুধুই খিচুড়ি। বন্ধ হওয়ার জোগাড় কারখানায় ওয়েল্ডিংয়ের কাজ। সিলিন্ডার হাহাকার কলকাতা থেকে জেলা সর্বত্র। ভাবাচ্ছে মিড ডে মিল। এলপিজি, সিএনজি-র গ্যাসের জন্য রিফিলিং পাম্পে লম্বা লাইন অটো, গাড়ির।
এদিকে গ্যাসের ক্রাইসিসের সঙ্গে কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে। ডোমেস্টিক থেকে কমার্শিয়াল সিলিন্ডার বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। আর তাতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবারই এসওপি জারি করেছে নবান্ন। খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুমও। এরপরেই কলকাতা থেকে জেলা গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের অফিসে হানা দিয়েছে ইবি, পুলিশ। কোথায় কত সিলিন্ডার মজুত রয়েছে, জোগান কতটা, গ্রাহকরা কিভাবে বুকি করছেন, কোথাও কোনও কালোবাজারি হচ্ছে কিনা। সবটাই খতিয়ে দেখা হয়েছে। সিলিন্ডারের স্টক মেলাতে রেজিস্টার চেক করছে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ, পুলিশের। এদিকে কলকাতার অন্যতম অভিজাত আবাসন আরবানায় গ্যাস ব্যবহারে নতুন নির্দেশিকা জারি হয়েছে। ওই আবাসনে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। আবাসিকদের দুপুর ২ টোর মধ্যে রান্না সেরে নিতে বলা হয়েছে। দুপুর ২টো থেকে ৪ এবং রাত ১১ টা থেকে ভোর সাড়ে তিনটে পর্যন্ত গ্যাস সাপ্লাই বন্ধ রাখা হবে। এদিকে রাস্তার বিভিন্ন ছোট হোটেল, রেস্তোরাঁগুলো কার্যত বন্ধ হওয়ার জোগাড়।
গ্যাসের অভাবে মেনুতে কাটছাঁট করেও সুরাহা মিলছে না। কাঠ কিনে কোনও মতে দোকান চালানোর চেষ্টা চলছে। একই পরিস্থিতি মিষ্টির দোকানেও। এদিকে গ্যাসের দাবিতে কলকাতা থেকে জেলা বিভিন্ন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউট অফিসে শুক্রবারও ছিল লম্বা লাইন।









