
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় বাইকে করে এসে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।
গাড়িতে চন্দ্রনাথের সঙ্গে আর এক যুবকও ছিলেন। তাঁর নাম বুদ্ধদেব বেরা। তাঁদের দু’জনকেই উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথকে মৃত ঘোষণা করেন। বুদ্ধদেবকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতার ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। রাত ১টার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। শুভেন্দু এবং চন্দ্রনাথের স্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে ডিজির। চন্দ্রনাথের স্ত্রী ডিজিকে বলেছেন, স্বামীকে তো ফিরে পাবেন না। কিন্তু দোষীদের শাস্তি চান। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রথমে চন্দ্রনাথের গাড়িটি দোহাড়িয়া লেনের ভিতরে ঢোকার সময় উল্টো দিক থেকে একটি গাড়ি তাঁদের রাস্তা আটকায়। এর পর বাইকে করে দুষ্কৃতীরা তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় বলে অভিযোগ। বাইক আরোহীদের মাথায় হেলমেট ছিল। দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চন্দ্রনাথকে বাঁচানো যায়নি। আশঙ্কাজনক বুদ্ধদেবও। অপরাধে ব্যবহৃত ওই চার চাকার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেখানে শিলিগুড়ির নম্বরপ্লেট ব্যবহার করা হয়েছে। তবে তা ভুয়ো বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়া, কিছু গুলি এবং ব্যবহৃত কার্তুজ পাওয়া গিয়েছে। ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক দল ওই গাড়িটিকে খতিয়ে দেখছে। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরা পরীক্ষা করছেন। রাস্তায় পড়ে রয়েছে চন্দ্রনাথের গাড়ির ভাঙা কাচের টুকরো। এলাকা ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাসপাতালের কর্ণধার প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, চন্দ্রনাথের বুকের বাঁ দিকে দু’টি গুলি লেগেছে। সিপিআর দিয়েও বাঁচানো যায়নি।






