মিষ্টি খাবেন, কিন্তু কখন?

0
71
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

সকালের এক কাপ চা, সাথে বিস্কুট বা ছোট্ট একটা কেক,দিনের শুরুটা এমনই হয় অনেকের। খেতে খারাপ লাগে না, বরং মনে হয় এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু বেলা গড়াতেই হঠাৎ ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া, আর কিছু একটা খেতে ইচ্ছে—এই চেনা অনুভূতিটা কি আপনারও হয়?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিষ্টি পুরোপুরি বাদ দেওয়া জরুরি নয়। বরং কখন খাচ্ছেন, সেটাই আসল বিষয়।আসলে খালি পেটে বা সকালে মিষ্টি খেলে শরীরে খুব দ্রুত রক্তে শর্করা বেড়ে যায়। এতে প্রথমে এনার্জি ভালোই লাগে, কিন্তু সেটা বেশিক্ষণ থাকে না।একটু পরেই সেই এনার্জি হঠাৎ কমে যায়। তখন আবার কিছু খেতে ইচ্ছে করে—বিশেষ করে মিষ্টি।ফলে দিনটা শুরু হয় এক ধরনের ওঠানামার মধ্যে দিয়ে।এখন প্রশ্ন হল,তাহলে সঠিক সময় কখন?সহজ করে বললে,খাবারের পরে।যেমন দুপুর বা রাতের খাবার শেষ করে অল্প পরিমাণে মিষ্টি খেলে শরীর সেটিকে ধীরে গ্রহণ করে। এতে হঠাৎ করে শক্তি বাড়া-কমার প্রবণতা কমে এবং আপনি দীর্ঘ সময় স্বস্তি অনুভব করেন।অনেকেই খেয়াল করেন, হালকা কিছু খাওয়ার পর দ্রুতই আবার ক্ষিদে লাগে। এই অবস্থাকে অনেকে ক্র্যাশ বলে থাকেন।এই চক্র থেকে বের হতে চাইলে মিষ্টিকে স্ন্যাক হিসেবে না খেয়ে, মূল খাবারের পরেই খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।আসলে আমাদের জীবনে মিষ্টি পুরোপুরি বাদ দেওয়া প্রায় অসম্ভব।

চা-বিস্কুট, দাওয়াতের মিষ্টি, বা হঠাৎ কোনো পেস্ট্রি—এসব তো থাকবেই।কিন্তু যদি একটু খেয়াল রাখা যায়,যেমন,খালি পেটে নয়,সকালে নয়,বারবার স্ন্যাক হিসেবে নয়,বরং খাবারের পর অল্প করে।দিনের শেষে বিষয়টা খুব সহজ—সময়টা ঠিক রাখা।তাহলে প্রিয় ডেজার্ট উপভোগও করা যাবে, আবার শরীরের যত্নও নেওয়া যাবে।সব মিলিয়ে,মিষ্টি জীবন হোক—কিন্তু একটু বুদ্ধি খাটিয়ে!