
পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ হয়েছিল পাকিস্তান থেকে। জঙ্গিরা যে পাকিস্তান থেকে এসেছিল, তা আগেই জানা গিয়েছিল। এ বার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ জানিয়েছে, পুরো জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল পাকিস্তানে বসে।
শুধু তা-ই নয়, গোটা হামলা পাকিস্তান থেকেই রিয়েল টাইম-এ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটে এমনটাই উল্লেখ করেছে এনআইএ। চার্জশিটে উঠে এসেছে হামলার সেই মূলচক্রীর নামও। ২০২৫-এর এপ্রিলের ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আগেই উঠে এসেছিল পাকিস্তানি জঙ্গি সইফুল্লা ওরফে সাজিদ জাট ওরফে ল্যাংড়া-র নাম। তিনি পাক জঙ্গিগোষ্ঠী লশকর-এ-ত্যায়বা এবং তার ছায়া সংগঠন দ্য রেজ়িস্ট্যান্স ফ্রন্ট, টিআরএফ-এর অন্যতম নেতা বলে সন্দেহ।এনআইএ-র চার্জশিটে এই সইফুল্লাকেই হামলার মূল অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে,তিনি লাহৌর থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ পরিচালনা করেন। এবং সেখান থেকেই পহেলগাঁওয়ের জঙ্গিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিচ্ছিলেন তিনি। চার্জশিটে এনআইএ জানিয়েছে, এই সইফুল্লা ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছেন। সূত্রের খবর, তিনি এখনও পাকিস্তানের কোথাও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন।উল্লেখ্য,পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরপরই ওই হামলার দায়স্বীকার করেছিল টিআরএফ।
কাশ্মীর ফাইট নামে টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে হামলার দায়স্বীকার করেছিল তারা। কিন্তু পরে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসে লশকরের ওই ছায়া সংগঠন। টিআরএফ পরে দাবি করে,পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ ছিল না। ওই টেলিগ্রাম চ্যানেলটি হ্যাক করা হয়েছিল বলে দাবি করে তারা। উল্লেখ্য, এনআইএ-র তদন্তে উঠে এসেছে, কাশ্মীর ফাইট নামে ওই টেলিগ্রাম চ্যানেলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাট্টাগ্রাম এলাকায় বসে তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি আরও একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেটি চালানো হত রাওয়ালপিন্ডি থেকে।







