
সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে এবার কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের কান্দির বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। স্থানীয়দের দাবি ভগ্নস্তূপ হয়ে থাকা বাড়ি ৩ বছরেই অট্টালিকায় পরিণত করেছিলেন শান্তনু সিনহা বিশ্বাস।
প্রত্যেক ঘরে এসি, ঘরগুলো তৈরি হয়েছে বহুমূল্য গ্র্যানাইট পাথর দিয়ে। তৈরি হচ্ছিল মন্দির কমপ্লেক্স। প্রাসাদোপম ওই বাড়ি ভিতরে রয়েছে বিশাল পুকুর। পুরো বাড়িই সিসি ক্যামেরায় মোড়া। শুক্রবার সকালে ওই বাড়িতে ইডির আধিকারিকরা যখন পৌঁছন তখন দরজায় তালা দেওয়া ছিল। পঞ্চায়েত প্রধান মামনী রাজবংশী ও তাঁর স্বামীকে সাক্ষী রেখে প্রাণ আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষার পর দরজার তালা ভেঙে দরজায় লাথি মেরে ভিতরে ঢোকেন ইডির আধিকারিকরা। ডেকে আনা হয় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের ভাইস চেয়ারম্যান বোনকেও। প্রতিটি ঘর খুলে খুলে ইডি আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন নিভিন্ন নথি। সোনা পাল্প মামলায় ইতিমধ্যে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে ইডি। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস আদতে মুর্শিদাবাদের কান্দির বাসিন্দা। তাঁর বোন গৌরি সিনহা বিশ্বাস ২।ণমূল পরিচালিত পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান। সোমবার গ্রেফতার করা হয় বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোন। পাল্লুকে।
ইডির দাবি ভয় দেখিয়ে কম দামে অন্যের জমি, সম্পত্তি হস্তগত করতেন সোনা পাপ্পু। ৩ জনের এই টিমে ছিলেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার এবং কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। মূলত জয়। কামদার এবং শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের হয়ে কাজ করতেন সোনা পাপ্পু।








