
একত্রবাসের রেজিস্ট্রেশন এ বার বাধ্যতামূলক করার পথে এগোচ্ছে অসমের বিজেপি সরকারও। সোমবার অসমের বিধানসভায় পেশ হয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল। তাতে যে নিয়মগুলির কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে একত্রবাস সংক্রান্ত বিধিও।
এর আওতায় একত্রবাসে থাকা যুগলকে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে। পাশাপাশি বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েরও উল্লেখ রয়েছে অসমের অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে। কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস এবং রাইজোর দল-সহ বিরোধী দলগুলি এই বিল পেশের বিরোধিতা করেছে। বিল পেশের আগে সব পক্ষকে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার দাবি তুলেছে তারা। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার হয়ে বিধানসভায় বিলটি পেশ করেছেন রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী অতুল বোরা। এই বিলের অন্যতম লক্ষ্য হল বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করা এবং একত্রবাসের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা। বিলের উদ্দেশ্য এবং কারণ সম্পর্কে এক বিবৃতিতে হিমন্ত বিশ্বশর্মা উল্লেখ করেছেন, এর লক্ষ্য হল বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার এবং একত্রবাস সম্পর্কিত বিধিগুলিকে আরও সুসংহত এবং সরল করা। এই বিলে বহুবিবাহ নিষিদ্ধের কথা উল্লেখ রয়েছে।
পাশাপাশি বিয়ের জন্য পুরুষদের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর এবং মহিলাদের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার কথায়,এই বিলটি অসমে একত্রবাসের সম্পর্ককে প্রথম বারের জন্য আইনি কাঠামোর আওতায় আনছে। সম্পর্কের বাধ্যতামূলক নথিভুক্তিকরণের মাধ্যমে এই আইনটি একত্রবাসের সঙ্গীর অধিকার রক্ষা করবে। একই সঙ্গে এই ধরনের সম্পর্ক থেকে জন্ম হওয়া কোনও সন্তানের অধিকারকেও স্বীকৃতি দেবে এবং সুরক্ষিত করবে। তবে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অসমে বসবাসকারী তফসিলি জনজাতির ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।







