
শেয়ার বাজারে যাওয়ার ঠিক আগেরমুহূর্তে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেটের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে স্পেসএক্স।
কয়েক মাস ধরে নানাবিধ বিলম্বের পর স্টারশিপের এ মানববিহীন উৎক্ষেপণটি কোম্পানির জন্য ছিল বড় মাইলফলক। ইলন মাস্কের কোম্পানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ অভিযানে রকেটটি প্রায় সবকটি লক্ষ্য পূরণ করে ভারত মহাসাগরে অবতরণ করেছে, যা ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের আইপিও’র আগে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও নাসার চন্দ্রাভিযানের স্বপ্নকে আরও বাড়িয়ে দিল। স্পেসএক্স তাদের নতুন প্রজন্মের স্টারশিপ ভি থ্রি রকেটের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে। রকেটটি তৈরি হয়েছে যেন আরও দ্রুত ও বেশি সংখ্যায় স্টারলিংক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো ও ভবিষ্যতে নাসার চন্দ্রাভিযান সফল করা যায়।উল্লেখ্য আগামী মাসে স্পেসএক্স শেয়ার বাজারে পা রাখতে যাচ্ছে, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও হতে পারে। সম্পূর্ণ পুনরায়ব্যবহারযোগ্য এ মহাকাশযানটি তৈরিতে স্পেসএক্স এ পর্যন্ত দেড় হাজার কোটি ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে। মাস্কের দূরদর্শী বিভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্টারশিপের ভূমিকা অপরিসীম।এদিকে রকেট উৎক্ষেপণের খরচ কমিয়ে আনা, স্টারলিংক ব্যবসার প্রসার ঘটানো এবং গভীর মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে কক্ষপথে ডেটা সেন্টার স্থাপনের মতো মেগা প্রজেক্ট নিয়ে ভাবছেন মাস্ক। এসবকিছুর ওপর ভিত্তি করেই তিনি কোম্পানির আইপিও মূল্যায়ন ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার লক্ষ্যমাত্রা ধরেছেন।২০২৩ সাল থেকে শুরু করে এ মিশনটি ছিল স্টারশিপের ১২তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট। তবে এ মিশনটি স্টারশিপ রকেটের একদম নতুন ও আপগ্রেডেড সংস্করণের প্রথম উৎক্ষেপণ। এ সংস্করণে মূল যান ও এর সুপার হেভি বুস্টার উভয় অংশেই বড় ধরনের আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
একইসঙ্গে নতুন এ রকেটের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা সম্পূর্ণ নতুন এক লঞ্চ প্যাড থেকে এ রকেটটিই ছিল প্রথম উৎক্ষেপণ।







