গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

31 C
Kolkata
31 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle গরমকালে ঠাণ্ডা-কাশিতে কাবু?

    গরমকালে ঠাণ্ডা-কাশিতে কাবু?

    0
    9
    ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    বাইরে আগুনঝরা রোদ, ভেতরে কনকনে এসি,এই দুই বিপরীত তাপমাত্রার ধাক্কা এখন অনেকের শরীরেই বাড়তি সমস্যা তৈরি করছে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই গলা খুসখুস, নাক বন্ধ, হালকা জ্বর জ্বর ভাব কিংবা শরীর ম্যাজম্যাজ করা, গরমের এই সময়ে এমন সমস্যায় ভুগছে অসংখ্য মানুষ।

    চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত গরমের মধ্যে বারবার ঠাণ্ডা পরিবেশে যাওয়া-আসা করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে অনেকের সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি বা ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকা, কম জল পান করা এবং অনিয়মিত খাবারের অভ্যাস পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করে তোলে। তবে স্বস্তির খবর হলো, ঘরোয়া কিছু সাধারণ পানীয় এই অস্বস্তি অনেকটাই কমাতে সাহায্য করতে পারে। শরীর ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি এগুলো গলা আরাম দেয়, ক্লান্তি কমায় এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। যেমন গরমে সর্দি-কাশিতে, তীব্র গরমে শরীর দ্রুত পানি ও লবণ হারায়। ফলে দেখা দেয় দুর্বলতা, মাথা ঘোরা কিংবা ক্লান্তি। এই সময়ে লেবুর শরবত হতে পারে সহজ সমাধান। এদিকে পাতিলেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আর শরবতে যদি সামান্য বিটলবণ, পুদিনাপাতা বা সামান্য মধু যোগ করা যায়, তাহলে এটি আরও উপকারী হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবুর শরবত শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার ফলে তৈরি হওয়া ক্লান্তিও কমায়। তবে অতিরিক্ত চিনি বা বেশি বরফ মিশিয়ে খাওয়া ঠিক নয়। এতে উল্টো গলা ব্যথা বা সর্দির সমস্যা বাড়তে পারে। ওদিকে, গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে বহুদিন ধরেই জনপ্রিয় ঘোল। টকদই, ভাজা জিরার গুঁড়ো, সামান্য লবণ ও পুদিনাপাতা দিয়ে তৈরি এই পানীয় শুধু স্বাদেই নয়, উপকারেও ভরপুর। চিকিৎসকদের মতে, ঘোল শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি হজম ভালো রাখে এবং জলশূন্যতা কমায়। গরমে অনেকের পেটফাঁপা, অস্বস্তি বা হালকা ডায়ারিয়ার সমস্যাও দেখা দেয়, এসব ক্ষেত্রেও ঘোল উপকারী হতে পারে। আবার,সর্দি-কাশির সময় শরীর দুর্বল লাগলে ভারী খাবারের বদলে এক গ্লাস ঘোল স্বস্তি দিতে পারে। অন্যদিকে গরমে অনেক সময় খেতে ইচ্ছে করে না। আবার সর্দি-কাশি হলে মুখের স্বাদও নষ্ট হয়ে যায়।

    এমন পরিস্থিতিতে ছাতুর শরবত হতে পারে পুষ্টিকর ও আরামদায়ক পানীয়। পুষ্টিবিদদের মতে, ছাতু শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে, দ্রুত শক্তি জোগায় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। এ ছাড়া এটি জলশূন্যতা কমাতেও সাহায্য করে। বিশেষ করে যারা রোদে বের হন বা সারাদিন কাজের চাপে থাকেন, তাদের জন্য ছাতুর শরবত বেশ উপকারী হতে পারে। চাইলে এতে সামান্য লেবু, বিটলবণ বা জিরার গুঁড়ো মিশিয়েও খেতে পারেন। এছাড়া, সর্দি-কাশি বা গলা খুশখুশে হলে অনেকেই কাড়া খেয়ে স্বস্তি পান। আদা, তুলসি, দারুচিনি, গোলমরিচ, পুদিনাপাতা কিংবা যষ্টিমধু দিয়ে তৈরি এই পানীয় গলার অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।