
আজকাল সুস্থ থাকতে সাধারণ মানুষও ডায়েটে প্রোটিন পাউডার রাখছেন। কিন্তু সঠিক নিয়ম না জেনে এটি খেলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হতে পারে।
বলা হয়,ভুল সাপ্লিমেন্ট বা ভুল নিয়মে খাওয়ার কারণে পেটফাঁপা, গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেয়। প্রোটিন পাউডার খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ভুল এড়িয়ে চলুন। এই যেমন অতিরিক্ত প্রোটিন খাওয়া।সাধারণতঃ রোজকার খাবারে এমনিতেই প্রোটিন থাকে,তার ওপর বাড়তি প্রোটিন পাউডার খেলে শরীরে প্রোটিন ও ক্যালরির মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। এতে ওজন কমার বদলে উল্টো বেড়ে যেতে পারে।আবার অনেকেই মূল খাবার,ভাত, মাছ, মাংস বা সবজি বাদ দিয়ে শুধু প্রোটিন শেক খেয়ে থাকেন। এটি মারাত্মক ভুল। প্রোটিন পাউডার কখনো আসল খাবারের বিকল্প হতে পারে না। এর ফলে শরীরে ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার ও ভালো ফ্যাটের ঘাটতি তৈরি হয়।অন্যদিকে,অনেকেই মনে করেন যত বেশি খাবেন, তত দ্রুত পেশি তৈরি হবে। এই ধারণা ভুল। শরীর একবারে মাত্র ২৫ থেকে ৪০ গ্রাম প্রোটিন কাজে লাগাতে পারে। এর বেশি খেলে তা চর্বি বা,ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমা হয়।এছাড়া বাজারে পাওয়া যাওয়া অনেক প্রোটিন পাউডারে কৃত্রিম চিনি ও প্রিজারভেটিভস থাকে, যা হজমের সমস্যা বাড়ায়।এই অবস্থায়,প্রথম দিকে সপ্তাহে মাত্র দু’ দিন এক স্কুপ করে প্রোটিন পাউডার খান।সহ্য হলে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান এবং সারা দিনে প্রচুর জল পান করুন।পাশাপাশি বাজার থেকে প্রোটিন পাউডার কেনার আগে অবশ্যই নিচের ৪টি বিষয় দেখে নেওয়া উচিত ।
যার মধ্যে আছে,প্রোটিনের উৎস ,প্রোটিনটি কোন উৎস থেকে তৈরি ,যেমন,হোয়ে প্রোটিন নাকি সয় বা মটরের মতো উদ্ভিজ্জ প্রোটিন তা যাচাই করে নিন।তারপর প্রতি চামচে অন্তত ২০ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন আছে কি না দেখে নিন।কৃত্রিম চিনি বা বাড়তি ফ্লেভার মেশানো প্রোটিন পাউডার এড়িয়ে চলাই ভালো।প্যাকেটের গায়ে লোগো বা অনুমোদন আছে কি না দেখে নিশ্চিত হয়ে নিন।








