
ডিকে শিবকুমারকে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার লোকভবনে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র দিয়ে এসেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তাঁর উত্তরসূরি যে ডিকে-ই হচ্ছেন, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন সিদ্দারামাইয়া।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক দিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সকালে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন সিদ্দারামাইয়া। নিজের বাসভবনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। সিদ্দারামাইয়ার জায়গায় যিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, সেই বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। প্রাতরাশ বৈঠকে সিদ্দারামাইয়া পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পরে পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছেন শিবকুমার। তাঁর আশীর্বাদ নিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যপাল থাবরচাঁদ গহলৌত এখন বেঙ্গালুরুতে নেই। পারিবারিক কারণে মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, এটা খুব একটা জটিল সমস্যা নয়।
কারণ, রাজ্যপাল উপস্থিত থাকুন বা না-থাকুন, তাঁর দফতরে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে আসা হবে। এ দিকে আবার লোকভবন সূত্রে জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কোনও সময় চাওয়া হয়নি। লোকভবনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যপাল শহরে নেই, মুখ্যমন্ত্রী যে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান, এমন কোনও বার্তা বা তথ্য লোকভবনে পৌঁছোয়নি। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, যদি মুখ্যমন্ত্রী সচিবের হাতে পদত্যাগপত্র দিতে চান, তা হলে তিনি দিতেই পারেন। তবে রাজ্যপাল পরে তাঁকে সশরীরে উপস্থিত থেকে পদত্যাগপত্র তাঁর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য বলতে পারেন।






