
ভারত সরকার এবার আদালতে দাবি করেছে, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম শুধু অবৈধ কনটেন্ট ছড়ানোর ক্ষেত্রেই নয়, শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট, পর্নোগ্রাফি, সাইবার হামলা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রের তরফে আদালতে টেলিগ্রামের কিছু বিশেষ ফিচারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দাবি, টেলিগ্রামের কিছু ফিচার— বিশেষ করে বৃহৎ গ্রুপ, চ্যানেলভিত্তিক সম্প্রচার এবং দ্রুত অ্যাকাউন্ট পরিবর্তনের সুযোগ — অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। সরকারের দাবি, এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেই চাইল্ড পর্নোগ্রাফির মতো কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে।
এমনকী জঙ্গি নেটওয়ার্কও গড়ে তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই মামলায় সরকারের বক্তব্য ছিল, তদন্তকারী সংস্থাগুলির জন্য বহু ক্ষেত্রে উৎস চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সময় লাগে। তাই অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলির দায়বদ্ধতা, তথ্য সংরক্ষণ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা — এই বিষয়গুলিকে আরও কঠোরভাবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালতে জানায় সরকার। যদিও টেলিকম শিল্পের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
