‘চুমু’ বিতর্কে মুখ খুললেন কঙ্গনা 

0
47
ছবি সৌজন্যে :ফেসবুক

সাল ২০১৪, সেই বছর মুক্তি পেয়েছিল কঙ্গনা রানাউত ও বীর দাস অভিনীত,রিভলবার রানি। সিনেমায় একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে চুম্বন নিয়ে আবারও চর্চায় ক্যুইন কঙ্গনা।

কাট বলার পরও উদ্দাম রোম্যান্সের অভিযোগ, সহ অভিনেতা বীরের ঠোঁট কামড়ে নাকি রক্ত বের করে দিয়েছিলেন।তেইশ সালে এক বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রথমবার বিষয়টির উত্থাপন করেছেন। তখন হেঁয়ালি করে কঙ্গনা লিখেছিলেন, হৃতিক রোশনের পর আমি নাকি বেচারা বীর দাসেরও ইজ্জত লুটে নিয়েছি, এটা আবার কবে হলো? আবারও ছাব্বিশ সালে ফের চুমুচর্চার পুনরুত্থান,সৌজন্যে সেই প্রবীণ সাংবাদিক।সম্প্রতি এক পডকাস্টে কঙ্গনার বিরুদ্ধে ফের সেই অভিযোগ তুললেই মুখ খুলেছেন কমেডিয়ান ও অভিনেতা বীর দাস। সোশাল মিডিয়ায় অভিনেত্রীকে সমর্থন করতেই বীরকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিক্রিয়া ক্যুইন-এর। উল্লেখ্য, কঙ্গনা রানাউত ও বীর দাস দুজনেই এই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে লিখেছেন, সকলে জেনে রাখুন, এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। কঙ্গনা শুটিং সেটে অত্যন্ত পেশাদার ছিলেন এবং আমি এখনও মনে করি তিনি একজন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী। তাঁর বিরুদ্ধে এধরনের অপপ্রচার অন্যায়। আমার কমেডির কনটেন্টের জন্য সন্ত্রাসবাদী বলেছিলেন, কিন্তু শুটিংয়ের সময় আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা ছিল না।সেই পোস্টে সহঅভিনেতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে কঙ্গনার প্রতিক্রিয়া, ধন্যবাদ বীর। কিন্তু উনি কে? মনে হচ্ছে কোনও অদ্ভুত মানুষ আমাদের নাম ব্যবহার করে নিজের বিকৃত কল্পনাকে তৃপ্ত করছে। আমি নাকি তোমার রক্ত খাচ্ছি আর তুমি এক দশক পরও সেই ট্রমায় কাঁদছ, কী আজগুবি ব্যাপার।এরপর,বীর আর কঙ্গনার যৌথভাবে চুমুকাণ্ড-এর সত্যতা  খারিজ করার পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের কোনও প্রত্যুত্তর মেলেনি।অন্যদিকে সম্প্রতি ভারত ভাগ্য বিধাতা ছবিতে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রানাউত।

১২ জুন প্রেক্ষাগৃহে ছবি মুক্তির পর দর্শকমনে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি। অন্যদিকে অনলাইন শপিং সাইটে অ্যাপেল ওয়াচ কিনে মোটা টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছেন কমেডিয়ান বীর।