
তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন দু’মাসও হয়নি,এরই মধ্যে থলপতি বিজয়ের সরকার ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে এক্ষেত্রে কাঠগড়ায় বিজেপি নয়, বরং এম কে স্ট্যালিনের ডিএমকে।
বিজয়ের অভিযোগ, স্ট্যালিনের নেতৃত্বে এই দু’মাসের মধ্যেই ডিএমকের তরফে সরকার ফেলার রীতিমতো ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অন্তত ১৫ জন বিধায়ককে ৩৫ কোটি টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক টিভিকে বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে নেমে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছেন তিনি। টিভিকে বিধায়ক উথানাগারাই এবং এন ইলাইয়ারাজা চেন্নাই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, চেন্নাইয়ের একটি কনসালটেন্সি ফার্ম স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার জন্য ৩৫ কোটি টাকা করে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে নেমে বিস্ফোরক সব তথ্য পেয়েছে তদন্তকারীরা। বিজয় বলেছেন, মোট ১৫ জন বিধায়ককে ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যেককে ৩৫ কোটি টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ওই কনসাল্টেন্সি ফার্ম।ওই কনসাল্টেন্সি ফার্মের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই কনসাল্টেন্সি ফার্মটি নাকি ডিএমকে বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সেন্থিল বালাজির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।বালাজির ঘনিষ্ঠ দু’জন আধিকারিককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। টিভিকের অভিযোগ, ডিএমকের কারুর গ্যাং সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র করছে। যদিও ডিএমকে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাঁদের বক্তব্য, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে স্রেফ বাজার গরম করার চেষ্টা করছে।উল্লেখ্য, ইতিহাস গড়ে এবার তামিলভূমে ক্ষমতায় এসেছেন বিজয়।
তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি তাঁর দল টিভিকে। সরকার গড়তে কংগ্রেস, আইইউএমএল, সিপিআই, সিপিএমের মতো দলগুলির সমর্থনে সরকার চলছে।
