
ঘাড় ধরে যাঁকে মাছ বিক্রি করাবেন বলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডাই লক্ষাধিক ভোটে ফলতা থেকে জিতেছেন। আর জয় পেয়েই দেবাংশু পাণ্ডা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফলতায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তৃণমূলকে বিঁধে বলেছেন ফলতায় আর কারও চোখরাঙানি চলবে না।
মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার হবে না। এখানে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। রবিবার ভোটের ফল বেরতে গেরুয়া ঝড়ে কার্যত তছনছ ডায়মণ্ডহারবার মডেল। ২২ রাউন্ড গণনা শেষে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডাকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। ফলতার পুননির্বাচনে লক্ষাধিক ভোটে জয় পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪৯ হাজারেরও বেশি। দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম প্রার্থী শম্ভু কুড়মি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬০০-র কিছু বেশি ভোট। কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুর রজ্জাক মোল্লা পেয়েছেন ১০ হাজারের বেশি ভোট। ৭হাজারের কিছু বেশি ভোট পেয়ে চতুর্থ তৃণমূলের জাহাঙ্গির খান। অথচ ২০২১-র বিধানসভা ভোটে এই ফলতাতেই ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিল তৃণমূল। আর ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে এই ফলতায় তৃণমূলের লিড ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজারেরও বেশি। এবারে ফলতায় সেই তৃণমূল নেমে গিয়েছে চতুর্থ স্থানে। গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। শুরুতেই ৯ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে যান বিজেপি প্রার্থী। সময় যত বেড়েছে ততই ব্যবধান বাড়িয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। ২৯ তারিখ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ ওঠে।
এরপর কমিশনের নির্দেশে ২১ ফের পুনর্নির্বাচন হয় ফলতায়। কিন্তু তার আগেই ভোট থেকে সরে দাঁড়ান নিজেকে পুষ্পা বলে দাবি করা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। এদিকে ফলতার আসনটিও বিজেপির দখলে আসতেই রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির আসন বেড়ে হয়েছে ২০৮টি। ফলপ্রকাশের পর লাড্ডু বিতরণ, গেরুয়া আবিরে সেলিব্রেশনে মেতেছেন বিজেপির নেতাকর্মীরা। ভোটে এই জয়কে ফলতাবাসীকে উৎসর্গ করেছেন বিজেপি প্রার্থী।







